- Get link
- X
- Other Apps
Posted by
Tiki liki
on
- Get link
- X
- Other Apps
![]() |
| তমলুক রাজবাড়ি |
কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম হলো মেদিনীপুর জেলা। তবে এটি একসময় শুধু মেদিনীপুর নাম ছিল কিন্তু এখন এটি দুটি নামে ব্যবহার হয় একটি পশ্চিম মেদিনীপুর আর দ্বিতীয়টি হলো পূর্ব মেদিনীপুর। এখন দুটি যায়গায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ কারণ একসময় এখানে একটি কারখানা তৈরি হয়েছিল। তবে এর আগে এই জায়গাটি ছিল তাম্রলিপ্ত নামে পরিচিত কারণ এটি ছিল বা বলা ভালো ঐতিহাসিক জায়গা। এই জায়গাটি কিন্তু অন্য এক বাঙালির জায়গা বলে পরিচিত। এই জায়গাটি ছিল তাম্রলিপি বা তাম্রলিপ্ত নামে পরিচিত, এখানে একটি রাজার বাড়ি ছিল বা বলা ভালো রাজার মহল ছিল এবং এখনো রয়েছে। তবে ওখানে কেউ থাকে না কারণ বাড়িটি বিপর্যস্ত ওটি একটি ঐতিহাসিক জায়গা। সাধারণ ভাবে বলা হয় ওটির বয়স নাকি 2,500 তবে জায়গা টি সৃষ্টি হয়েছিল মৌর্য সাম্রাজ্যের সময় যা ছিল পাঁচ সপ্তাদি আগে। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে কত পুরোনো এই জায়গা, এই কথা ও শোনা যায় যে এই রাজা নাকি মহাভারতের রাণী দ্রৌপদীর সম্ভরসভায় উপস্থিত ছিলেন এমনকি এই মৌর্য রাজবাড়িতে একটি দরজা ছিল যা কিনা ময়ুর দরজার মত দেখতে ছিল, এই দরজার উল্লেখ নাকি মহাভারত, ভগবত ও ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন যে আমরা ভাঙা বাড়িটির কথা বলছি এটি আসলে তমলুক রাজবাড়ি হিসাবে বিখ্যাত। এই রাজবাড়িটির কিন্তু অনেক জায়গা নিয়ে তৈরি হয়েছে, হ্যাঁ হয়তো আমরা এখন বুঝতে পারছি না ঠিকই কিন্তু বাড়িটির সামনে ও পিছনে অনেক জায়গা রয়েছে। অনেকের মতামত নিয়ে জানা গেছে যে এই বাড়িটির বা দিকে এবং ডান দিকের অংশে ডবল ব্যারাক ছিল কিন্তু এখন গেলে দেখা যায় যে বাঁদিকের অংশে এখন আর ঐ সব নেই কারণ সেই অংশ ভেঙে পড়েছে। তবে এখন দেখা যায় সামনে রয়েছে যাওয়ার পথ শুধু তাই নয় পন্ডিতেরা মনে করেন যে ঐ যাওয়া আসার পথে নাকি ইসলামী স্থাপত্য রয়েছে। আরো আছে যেমন উল্লেখিত স্থাপত্য টি সম্পুর্ণ জরাজীর্ণ এবং এটি তৈরি পুরোটাই ইটের আরো রয়েছে যেমন বাড়িটি সাথে রয়েছে একটি বিয়ে করার স্থান অনেকে এই জায়গাটি কে স্বয়ম্ভর সভা বলে উল্লেখ করেছেন এই কথা শোনা যায় যে বিখ্যাত মহাভারতের দ্রৌপদীর বিয়ে নাকি এই মহলের স্বয়ম্ভর সভায় হয়। এখন যারা শ্রী কৃষ্ণ কিংবা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা ভাবছেন তাদের বলি শ্রীকৃষ্ণ কুন্তীর পুত্র অর্জুনের কাছে তমলুকের প্রতি তাঁর অনুরাগ স্বীকার করেছিলেন। শুধু তাই নয় তিনি একটি সংস্কৃত শ্লোক এর কথা উল্লেখ করেছিলেন তার মানে হলো তমলুক ধর্মের সর্বোচ্চ স্থান, যেভাবে আমার স্ত্রী লক্ষ্মী দেবী আমার হৃদয়ে থাকেন, তমলুকও সর্বদা আমার হৃদয়ের সেইভাবেই নিকটবর্তী। বারবার, সময়ে সময়ে আমি সমস্ত তীর্থযাত্রা ত্যাগ করব, কিন্তু মৃত্যুর পরেও এক মুহূর্তের জন্য তমলুককে ছাড়ব না। এই জায়গাটি তে গান্ধী এবং সুভাষ চন্দ্র বসু এসে ছিলেন। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে কত মহীমা এই রাজবাড়ির।
আজকের লেখাটি অতটা ভালো হয়নি
ছবি সূত্র - internet
- Get link
- X
- Other Apps

Comments