- Get link
- X
- Other Apps
Posted by
Tiki liki
on
- Get link
- X
- Other Apps
![]() |
| প্রাচীনকাল থেকে অবস্থিত পোর্তুগিজ চার্চ |
আমাদের কলকাতায় বিভিন্ন গোরস্থান রয়েছে, তবে এই গোরস্থান ছাড়াও রয়েছে বিখ্যাত পার্ক স্ট্রিট সেমিট্রি। কিন্তু এছাড়া রয়েছে গ্রীক সেমিট্রি আর রয়েছে পর্তুগিজ সেমিট্রি। আসলে ভারতের কলকাতায় অনেক মানুষ এসেছে ধর্ম জাতি নির্বিশেষে, তৎকালীন কলকাতাই ছিল সেইরকম। কারণ কলকাতার মতো একটি জায়গায় রোমান টা একটি জলখাবার যায়গা তবে শুধু মাত্র জীবজন্তুর খাবার জন্যে। পর্তুগিজরা কিন্তু ব্রিটিশদের আসার আগেই ভারত কলকাতা নিজেদের ঘাঁটি তৈরি করে নিয়েছিল, শুধু তাই নয় গোয়াতে নিজেদের রাজত্ব কায়েম করেছিল। কিন্তু সেই ব্রিটিশদের মতো পর্তুগিজদের অবস্থা হয়েছিল, কারণ তাদের লোভ এই পর্তুগিজরা ভারতের বিভিন্ন যায়গায় ঘুরে বেড়াতো মানে নিজেদের রাজত্ব স্থাপন করতো। হুগলিতে পর্তুগিজরা একটা কারখানা স্থাপন করে কিন্তু মোঘল সম্রাটদের জন্য তাদের কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। এই বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনাতে ঘটে 1632 সালে আর তখন নবাব ছিলেন শাজাহান, পরবর্তীকালে পর্তুগিজরা উড়িষ্যা চলে যায় তবে তারা আবার বাংলায় চলে আসে এবং চন্দনগরে তাদের একটি বা বলা ভালো রাজত্ব গড়ে তুলেছিল এবং প্রায় ভারতের স্বাধীনতা পর এদের রাজত্ব উঠে যায়। কিন্তু এখানে তো আমরা পর্তুগিজ সেমিট্রি নিয়ে কথা বলবো সেই জন্য এই লেখাটি আরম্ভ করেছিলাম, তাই আবার ওখানে ফিরে যাই। যদি দেখা যায় এই পর্তুগিজ সম্প্রদায় আমাদের কলকাতায় বেশ কয়েকটি রোমান ক্যাথলিক গির্জা চালু হয়, কিন্তু এই গির্জা গুলির পেছনে ছিল পর্তুগিজ সম্প্রদায়। এখানে আরও জানানো দরকার যে ব্রিটিশরা কলকাতা কে নিজেদের রাজধানী করেছিল এবং তার সাথে তারা অ্যাংলিকান গির্জা ও প্রোটেস্ট্যান্ট গির্জা চালু হয়। কিন্তু ব্রিটিশরা পর্তুগিজদের জন্য গির্জা চালু করে বা চালু করতে দেয়। শুধু তাই নয় এর ফলে বেশ কিছু রোমান ক্যাথলিক গির্জা চালু হয়, যার পেছনে ছিল তৎকালীন পর্তুগিজরা। এই সময়ে সেই যুগের অনেক পর্তুগিজ মানুষ কবরস্থান তৈরির জন্য অনেকেই জমি ছেড়েছিল শুধু তাই নয় অনেকেই বিশ্রামস্থল গড়ার জন্য জায়গা ছেড়েছিল। এর পরবর্তীকালে বিভিন্ন কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় এই কবরের স্থান গড়ে ওঠে।
![]() |
| স্যান্ট জোন'স চার্চ |
এখানে একটা কথা বলে রাখা জোব চার্নক 1690 সালে কলকাতা খুঁজে পান, বলা ভালো আগেই ছিল কলকাতা। তাঁর আগে থেকেই পর্তুগিজরা কলকাতায় চলে এসেছিল, এমনকি ব্যারেটা বলে একজন ছিল তার কথা উঠলেই চলে আসে জোসেফ ব্যারেটো। তিনিই কলকাতার ক্যাথলিক গির্জাগুলোর একমাত্র তিনি ছিলেন এবং শহরে পর্তুগিজদের জন্য একটি পৃথক সমাধিস্থল তৈরির উদ্যোগটিও তাঁরই ছিল। শুধু তাই নয় তিনি 1786 সালের ফেব্রুয়ারি মাসের আঠ তারিখে তিনি তৎকালীন বৈঠকখানা বাজারে একটি কবরস্থান প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানটি জন্য তৎকালীন সময়ে তাকে আট হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছিল, কারণ এই জমির তৎকালীন আগেই দিয়েছিল। কিন্তু তার আগেই নাকি ব্যারাটের একজন কলকাতায় ছিল যার নাম নাকি মিসেস পাসকোয়া দ্য সুজা 1832 থেকে 1834 এ একটি গির্জা তৈরি করেন যেটি ছিল তৎকালীন ব্রিটিশ কলকাতার ধর্মতলা বাজারে উপর নির্মিত হয়েছিল। 25 ম্যাঙ্গো লেনে গির্জা ছিল আর সেখানে জোসেফ ব্যারেটো মারা যান এবং এর পর এই পরিবার জোসেফ ব্যারেটার কাজ করতে থাকে। তাহলে ধরে নিতে হবে যে হয়তো এই গির্জা সত্যি সেই সময় চালু হয় কিংবা হয়নি। তবে এবার পর্তুগিজ কবর স্থানের প্রসঙ্গে আসা যাক, কারণ এইটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জানা গেছে একসময় এই পর্তুগিজ গির্জা টি একসময় উপাসনা স্থল ছিল এটি এখনো রয়েছে শিয়ালদহ স্টেশনের পাশে, শুধু তাই নয় এটি এখন পরিচিত সেন্ট জন'স চার্চ নামে। আগে এটি উপাসনালয় ছিল কিন্তু বর্তমান সময়ে গভর্নর হাউস সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা যায় না একটি খালি অসুবিধা দেখা যায় দুটির রঙ লাল আর এই গির্জা টির সঙ্গে ছিল ক্যাথেড্রাল কিন্তু এখন আর নেই। এখন এখানে রয়েছে সমাধিক্ষেত্র, সেটা বিশাল বড় তবে হ্যাঁ এখানে নতুন কোনো সমাধি দেওয়া হয়নি। কলকাতার কিন্তু একটা বড় বদনাম রয়েছে, বদনাম টি হলো এই কলকাতার বহু মানুষ বা নেশাগ্রস্থ মানুষ সমাধির মার্বেলর ফলক কবর উপর থেকে কেটে বিক্রি এই ঘটনা পার্ক স্ট্রিটের গোরস্থান থেকে দেখে আসছি। তবে এই ঘটনা নাকি আর ঘটেনা কিন্তু এই কবরস্থানটি একদম রেললাইন পাশে তাই যা ইচ্ছা হওয়া সম্ভব, এখানে কিন্তু মার্বেল ফলক নেই উপরুক্ত ঘটনা আর উল্লেখ করলাম না। তবে এখনো এইখানে কিছু সমাধি রয়েছে যেগুলো 1840 ও তার পর থেকে .... তবে কলকাতায় অনেক পর্তুগিজ চার্চ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো Cathedral of the most holy rosary.
ছবি সূত্র - internet
- Get link
- X
- Other Apps


Comments