![]() |
| প্রথম ডিপার্টমেন্টাল স্টোর |
হয়তো একবার ডিপার্টমেন্টাল স্টোর নিয়ে কয়েকটি কথা বলেছিলাম। তখন যে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের কথা বলেছিলাম সেটা ছিল শুধু মাত্র মিলিটারি চাকরিজীবীদের জন্য, কোনো সাধারণ মানুষের জন্য ঐ ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ছিল না। তবে আজকে যেই ডিপার্টমেন্টাল স্টোর কথা বলবো সেটা নাকি সাধারণ মানুষের জন্য খোলা হয়। বর্তমানে সেই ডিপার্টমেন্টাল স্টোর আর নেই কিন্তু বিল্ডিং টি এখনো রয়েছে ডালহৌসি চত্বরে। তবে কীভাবে এটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর হয়েছিল সেটি আর জানা যায় নি। তবে অনেক বছর ধরে এই বিল্ডিং টি ভাড়া নিয়ে ছিল টাইমস অফ ইন্ডিয়া। তাই এই বাড়িটিকে টাইমস অফ ইন্ডিয়া ভবন বলে বলা হয়ে থাকে, তার যে একটা প্রাচীন পরিচয় আছে সেটা কেউ ভেবেই দেখেনি। তবে এই এই ভবন গুলির কতৃক ছিল মার্বেল প্যালেস বিখ্যাত মল্লিকদের হাতে। তবে এখানে বলে রাখা দরকার যে এ এই ভবন গুলি ছিল ব্রিটিশ কতৃপক্ষের হাতে, আর ভালো ভাবে জানে যায় যে 1850 সালে থেকে এটি কলকাতার বাঙালিদের হতে আসে এর আগে কিন্তু সবকটি ভবন ছিল ব্রিটিশ কতৃপক্ষের হাতে। জানা গেছে এখানে একটি বাড়ি ছিল ব্রিটিশ সরকার হাতে, সেখানে তারা বিখ্যাত বিস্কুট বানাতো, তবে এটি জার্মান মালিকাধীন এই বিস্কুটির নাম ছিল “Arrowroot” তবে এটি একটি রেঞ্জার্স ক্লাবের আবাসস্থল, যা একসময় দ্য ক্যালকাটা নেভাল ভলান্টিয়ার্স ক্লাব ছিল। এখানে কিন্তু বিখ্যাত রেঞ্জার লটারি ক্লাব গড়ে উঠে ছিল, শুধু তাই নয় বিখ্যাত টিটোর বার একই সময়ে গড়ে ওঠে, জার ফলস্বরূপ মল্লিকদের ভবনের দুটি বারান্দায় জড়ো হতেন যা সরকারি ভবনের পূর্ব গেট থেকে ভাইসরয়ের শোভাযাত্রার একটি অনন্য দৃশ্য উপস্থাপন করত। এই যে ফ্রান্সিস, হ্যারিসন, হ্যাটওয়ে কোম্পানি কথা বলছি, সেই কোম্পানির স্টাফ স্যংখা ছিল অনেক বেশি, জানা যায় এগারো জনের বেশি ছিল স্টাফ সংখ্যা। অবশেষে চল্লিশ জন স্টাফ ছিল এই কোম্পানির। কিন্তু অবশেষ ভারত তথা কলকাতা থেকে এই কোম্পানি চলে যায় আর এখন নামটা রয়েছে। শুধু তাই নয় বিল্ডিং টা এখনো দেখা যায়।
লেখা টি ভালো হয়নি
ছবি সূত্র - internet

Comments