জিম করবেটের জন্মদিন


 

আজকে জিম করবেন এর জন্মদিন।
এখন সবাই চেনে এবং জানে কে এই জিম করবেট । তিনি ব্রিটিশ নাগরিক হলেও প্রায় সারা জীবন কাটিয়েছেন আমাদের ভারতবর্ষে। জিম করবেটের পুরো নাম হল এডওয়ার্ড জেমস করবেট । তার বাবা এবং মায়ের নাম যথাক্রমে ক্রিস্টোফার উইলিয়াম করবেট , মেরি জেন । ছোট বেলা থেকেই করবেট সাহেবের বন জঙ্গল ভালো বসাতেন তিনি ছিলেন প্রকৃতি প্রেমি। তার বাড়ি ছিল নৈনিতালের কালাধুঙ্গিতে । 1875 সালে 25 July অর্থাত আজকের দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। করবেট সাহেবে মজা জন্য শিকার করতেন না , তিনি যতগুলো বাঘ শিকার করেছেন সেগুলো সবকটি ছিল man eater tiger তখনকার সময়ে যেকোনো গ্রামে man eater উপদ্রব বাড়ত তখন করবেট সাহেবের ডাক পড়তো ।
তবে একথা বললে ভূল হবে তিনি পেশায় শিকার ছিলেন, কিন্তু আসলে সেটা তিনি বিশ্ব যুদ্ধে অংশ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে তিনি বিহারের মোকামা ঘাট রেল স্টেশন কর্মরত ছিলেন।
এবার আসা যাক করবেটে সাহেবের শিকার পর্বে - 1911 থেকে 1938 সালের মধ্যে জিম করবেটে একডজন বেশি মানুষখেকো খতম করেছিলেন এবং প্রচুর মানুষের প্রাণ বাঁচিয়ে ছিলেন । করবেট অমনিবাস বলা আছে যে তার সারমেয় প্রতিটা শিকারে সঙ্গে ছিল । সবচেয়ে ভয়ানক বা বিপদের ঝুঁকি নেওয়া শিকার ছিল কুমায়ুনের বাঘিনী
কুমায়ুনে সে রীতিমতো তাণ্ডব শুরু করে।  দিনের বেলায়  বাঘিনীটি একটি ষোল বছরের মেয়েকে মেরে ফেলে করে- যেমনটি সে আগেও করেছে। করবেটে তার বইতে  বলেছেন, এই বাঘিনী বাদে অন্য কোনো নরখাদক যে দিনের আলোয় এমনিভাবে মানুষ মেরেছে, এমনটা তিনি কখনো শোনেনইনি- দেখা তো দূরের কথা!
১৯০৭ সালে যখন মেয়েটি বাঘিনীর শিকার হয়, তখন করবেট অসাধারণ নিপুণতায় রক্তের দাগ অনুসরণ করে তার অবস্থান নির্ণয় করেন। এই দুঃসাহসিক কাজ করতে গিয়ে তিনি প্রায় নিজের প্রাণটাই খোয়াতে বসেছিলেন। পরের দিন প্রায় ৩০০ গ্রামবাসী নিয়ে ঝোপজঙ্গলে বিট দিয়ে তিনি বাঘিনী সংহারে নেমে পড়েন এবং নরখাদকটির বুকে, কাঁধে ও পরিশেষে পায়ে গুলি করে তাকে হত্যা করে।

করবেটের কিছু কুসংস্কার ছিল তার ধরনা ছিল শিকার এর আগে সাপ দেখতে পেলে তার গুলি নিশানাতে লাগবেই ফেলুদার ও অন্যতম পচ্ছন্দের ছিল জিম করবেট ।

তথ্য সুত্র- Internet ও জিম করবেট অমনিবাস 

Tiki liki ©

Comments